ঢাকা | বঙ্গাব্দ
.

আশাশুনিতে মামলার ভয় দেখিয়ে মোট অংকের টাকার চাঁদাবাজি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 26, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন:
ad728
শিহাবুজ্জামান, জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা:

 আশাশুনির প্রতাপনগরে কওছার আলীকে মামলার ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের চাঁদার টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে ওয়াজেদ আলীর বিরুদ্ধে । এ ঘটনাটি ঘটেছে আশাশুনি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া গ্রামে । এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কুড়িকাহুনিয়া গ্রামে মৃত ইলাহী বক্স মোড়লের পুত্র ভূমিহীন কওছার আলী জানান কুড়িকাহুনিয়া গ্রামে মৃত রজব আলী গাজীর পুত্র ওয়াজেদ আলী গাজীর সাথে জমি সংক্রান্ত সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চরম বিরোধের সৃষ্টি হওয়ায় আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশির এক বড় কর্তার বডিগার্ডের ক্ষমতা ব্যবহার করে কওছার আলী মোড়লের পিতার পৈত্রিক সম্পত্তি জবর দখল করে নেয় । এ বিষয় নিয়ে বাড়িতে বসে আলাপ-আলোচনা করার সময় আব্দুল্লাহ গাজীর নির্দেশে তার সহযোগী মৃত রজব গাজীর পুত্র ওয়াজেদ আলী গাজী আব্দুল্লাহ গাজীর পুত্র আলম গাজী ও মামুন গাজী আরশাদ গাজীর মোহর আলী গাজী সুসংঘটিত হয়ে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে কওছার আলী মোড়ল ও শহিদুল গাজীকে গুরুতর জখম করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। এতে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে কওছার আলী মোড়ল ও তার পরিবারকে চরম বিপদে ফেলাতে ষড়যন্ত্র শুরু করে। ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পনা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের   অত্যন্ত ক্ষমতাধর ডিবি পুলিশের প্রধান হারুনের বডিগার্ড ওয়াজেদ আলী গাজীর বড় কুটুম 
আব্দুল্লাহ গাজীর পুত্র আলম গাজীকে দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দেওয়াসহ মামলা মোকদ্দমা দিয়ে জেলে আটকে রেখে নির্যাতন করে তিলে তিলে হত্যা করা হবে। এভাবেই ভয় ভীতি সৃষ্টি করে বিভিন্ন সময় কওছার আলী মোড়ল কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে। এরপর ক্ষান্ত হয়নি চলতি থাকে তাদের চাঁদাবাজির মিশন। এরই মধ্যে ৫ ই আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হওয়ায় ডিপি পুলিশের প্রধান সহ তার বডিগার্ড দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে ওয়াজেদ আলীর সহ সহযোগী কওছার আলী মোড়লের ভিতর দখলকৃত জমি ফেলে রেখে পালিয়ে গেলে। কিছুদিন পূর্বে উক্ত জমি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ কওছার আলীকে বুঝিয়ে দেন। সেখান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করে আসছিল। কিন্তু ৫ ই আগস্ট এর পর পরিস্থিতি কিছু টা স্বাভাবিক হওয়ার আবারো ওয়াজেদ আলীর এলাকায় ফিরে এ সকল ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওয়াজেদ আলীর বাদী হয়ে বাংলাদেশ পুলিশের হেডকোয়ার্টার থেকে শুরু করে বিভাগ জেলা ও থানায় কওছার  আলী মোড়ল সহ তার পরিবার ও লোকজনের বিরুদ্ধে একের পর এক হয়রানি মুলুক অভিযোগ দাখিল করে যাচ্ছে। ফলে চরম হয়রানির শিকার অসহায় ভূমিহীন কওছার আলী ও তার পরিবার সহ তার লোকজন অর্থনৈতিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সহ তাদের ভয়ে রাত কাটছে আতঙ্কে।  ফলে  উক্ত পরিবারটি হয়রানির শিকার । এলাকার ক্রাশ চাঁদাবাজের হোতা বিভিন্ন মানুষের জমি জমা দখলকারী মামলা মামলা বাণিজ্যকারী
ওয়াজেদ আলী গাজীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা সহ তার হাত থেকে রেহাই পেতে প্রশাসনের কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

নিউজটি আপডেট করেছেন : NEWS Editor

কমেন্ট বক্স